জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফর্ম তুলতে গিয়ে বাধা, ব্যক্তিগত ক্ষতি এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি জানান, সব সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত ক্ষমতা মহান আল্লাহর এবং রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি পূর্ণ আস্থা ও সম্মান রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালে খালেদা জিয়া-র উৎসাহে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। সে সময় তাকে সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করা হয়, যা তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।
কনকচাঁপা লেখেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মনোনয়ন পেলেও সেই পথ ছিল কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরের বছরগুলোতে তিনি ও দলের নেতাকর্মীরা নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।
ব্যক্তিগত ক্ষতির কথা তুলে ধরে এই শিল্পী বলেন, তিনি মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। দীর্ঘ সময় দেশের কোথাও গান গাইতে পারেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শিল্পচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার কষ্ট প্রকাশ করে বলেন, একজন শিল্পীর জন্য এটি বড় ক্ষতি।
আসন্ন নির্বাচনে তিনি দলের নির্দেশনা অনুযায়ী এলাকায় কাজ করলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিয়েছেন বলে জানান। একই সঙ্গে, তাকে ঘিরে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কিছু পক্ষ এখনো তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
শেষে কনকচাঁপা দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নিজের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেন। পাশাপাশি, এ ধরনের ঘটনার ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে তা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন।