| Your Ads Here 100x100 |
|---|
২০১৭ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় সংঘটিত বিক্ষোভ-সংক্রান্ত মামলায় বিতর্কিত ভূমিকার অভিযোগে সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর এর বিরুদ্ধে ছয় মাসের জন্য আইন পেশা স্থগিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
মার্কিন রাজধানী এর আইনজীবী আচরণবিষয়ক তদারকি সংস্থার কর্মকর্তারা এ সুপারিশ করেন। তাদের মতে, মামলার শুনানিতে উপস্থাপিত ভিডিও প্রমাণে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়ার ঘটনায় মুইস্কেন্সের ভূমিকা ছিল গুরুতর এবং পেশাগত নীতিমালার পরিপন্থী।
সম্প্রতি প্রকাশিত ১০৫ পৃষ্ঠার সুপারিশ জানায়, এর আগে প্রস্তাবিত তিন মাসের স্থগিতাদেশ অপর্যাপ্ত। বোর্ডের মূল্যায়নে, অভিযুক্তের আচরণ ছিল ইচ্ছাকৃত, দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর। এখন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ।
২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের দিন ওয়াশিংটনে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় কিছু বিক্ষোভকারী ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এসব মামলার প্রধান প্রসিকিউটর ছিলেন মুইস্কেন্স।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আদালতে যেসব ভিডিও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোর কিছু অংশ সম্পাদনার মাধ্যমে বাদ দেওয়া হয়। বাদ পড়া অংশে বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখা এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে চলার আহ্বান ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
শৃঙ্খলাবিষয়ক তদন্তে আরও বলা হয়, এসব অংশ বাদ যাওয়ার ফলে প্রসিকিউশন পক্ষ আদালতে এমন যুক্তি উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল যে অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সহিংসতার উদ্দেশ্যে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। বোর্ডের মতে, এটি শুধু প্রমাণ গোপনের ঘটনা নয়, বরং পূর্ববর্তী অসদাচরণ আড়াল করারও একটি সচেতন প্রচেষ্টা ছিল।
তবে মুইস্কেন্স এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণে কোনো ষড়যন্ত্র, মিথ্যা উপস্থাপন বা ইচ্ছাকৃত অনৈতিক আচরণের প্রমাণ পাওয়া যায় না। তিনি জানান, এই শৃঙ্খলাজনিত তদন্তের পর তিনি Utah-এ ফেডারেল প্রসিকিউটরের দায়িত্ব ছাড়েন এবং পরে আইন পেশা থেকেও সরে দাঁড়ান।
উল্লেখ্য, ওই বিক্ষোভ-সংক্রান্ত মামলাগুলোর মধ্যে ২০ জন অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করেছিলেন, ছয়জন আদালতে খালাস পান এবং শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পরবর্তীতে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

