সংবাদ: প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে গোপন ক্যামেরা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে হোটেল বা ভাড়া করা কক্ষে অবস্থানের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রুমে প্রবেশের পর অস্বাভাবিকভাবে রাখা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, স্মোক ডিটেক্টর, অ্যালার্ম ঘড়ি, চার্জার, টিভি বক্স বা অন্যান্য বস্তু ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ঘরের আলো নিভিয়ে মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট দিয়ে সন্দেহজনক স্থানে আলো ফেললে কোনো ক্যামেরার লেন্স থাকলে প্রতিফলন দেখা যেতে পারে। তবে এই পদ্ধতিতে সব ধরনের গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করা সম্ভব নয়।
এছাড়া একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত স্মার্ট ডিভাইস শনাক্ত করতে কিছু নেটওয়ার্ক স্ক্যানিং অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কেবল ব্লুটুথ স্ক্যান বা মোবাইলের ক্যামেরায় আলোর বিন্দু দেখেই গোপন ক্যামেরা রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
সামাজিক মাধ্যমে প্রচলিত “আঙুল-আয়না পরীক্ষা” দিয়েও গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করা যায়—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই বলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
কোনো কক্ষে গোপন ক্যামেরা থাকার সন্দেহ হলে সেটি নিজে নাড়াচাড়া না করে হোটেল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা ও সতর্কতাই এ ধরনের ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।