| Your Ads Here 100x100 |
|---|
রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে বলে দাবি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আন্দোলনের আড়ালে বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী রাস্তায় নেমেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান ডিএমপির পিওএম দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. তৌহিদুল আরিফ।
তিনি বলেন, বর্তমানে যারা রাস্তায় অবস্থান করছে, তাদের সবাই প্রকৃত পোশাক শ্রমিক নন। সাধারণ শ্রমিকরা কাজ শেষে কিংবা ছুটি পেয়ে যার যার বাড়িতে চলে গেছেন। অনেকে এখনো কারখানায় কাজ করছেন। তবে কিছু দুষ্কৃতকারী বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে রাস্তায় নেমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
ডিসি তৌহিদুল আরিফ জানান, মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় একদল দুষ্কৃতকারী সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় তারা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, আমরা অত্যন্ত কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। এখন রাস্তায় যারা আছে, তারা কোনো অর্থেই প্রকৃত গার্মেন্টস কর্মী বা শ্রমিক নয়। তারা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নামা দুষ্কৃতকারী।’
আন্দোলনের পেছনে কারা ইন্ধন দিচ্ছে এবং কী উদ্দেশ্যে নাশকতার চেষ্টা করা হচ্ছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
এদিকে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় কতজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কতজনকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি ডিসি তৌহিদুল আরিফ। তিনি জানান, এসব তথ্য পরবর্তী সময়ে ডিএমপির মিডিয়া সেলের মাধ্যমে জানানো হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে মিরপুর-১০ গোলচত্বরসহ এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন অলিগলিতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা বা নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

