| Your Ads Here 100x100 |
|---|
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
স্বাধীন মহাকাশ অভিযানের দিক দিয়ে ইউরোপ এখনও পিছিয়ে রয়েছে। ২০২৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৫৪টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলেও, ইউরোপের গড়ে মাত্র তিনটি সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। ইউরোপের মহাকাশ খাতে বিনিয়োগ গত বছরে মাত্র ১০ শতাংশ, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম।
এই পরিস্থিতিতে, সুইডেনের কিরুনা এবং নরওয়ের আন্দোয়া স্পেসপোর্ট ইউরোপের জন্য স্বাধীন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। কিরুনার এসরেঞ্জ স্পেস সেন্টার আর্কটিক সার্কেল থেকে ২০০ কিলোমিটার ওপরে অবস্থিত, যেখানে চারটি দেশের সীমান্ত মিলিত হয়। এটি ৫২০০ বর্গকিলোমিটার বিশাল বনভূমিতে অবস্থিত, যা উৎক্ষেপণের জন্য আদর্শ।
২০২৩ সালে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডার লাইয়েন এসরেঞ্জকে মূল ভূখণ্ডের প্রথম কক্ষপথ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে উদ্বোধন করেন। এসরেঞ্জে ইতোমধ্যে বড় আকারের উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ও গবেষণা সুবিধা নির্মাণ কাজ চলছে।
নরওয়ের আন্দোয়া স্পেসপোর্টও দ্রুত গতি পাচ্ছে। জার্মান স্টার্টআপ আইসার অ্যারোস্পেসের ছোট রকেট সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে, যা ২০২৫ সালে বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণের লক্ষ্যে কাজ করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউরোপকে মার্কিন এলন মাস্কের স্পেসএক্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে দ্রুত স্বাধীন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। স্পেসপোর্টগুলো ন্যাটোর জরুরি কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এখন সময় ইউরোপের মহাকাশ অভিযানের ‘অটোপাইলট’ চালু করার, যাতে ভবিষ্যতে কক্ষপথে আরো স্বাধীনতা ও সাফল্য আসতে পারে।
সুত্র: রয়টার্স

