21 C
Dhaka
সোমবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৫

গলাচিপা বিপুল উদ্দীপনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে-বর্ণাঢ্য রেলি ও সমাবেশ

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100

 

মু: জহিরুল ইসলাম চয়ন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ বিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অভ্যুদয়ের সূচনায় রক্ষা পায়-দেশের সার্বভৌমত্ব। সেই পট পরিবর্তনে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষকে বাক স্বাধীনতা ও বহু দলীয় রাজনীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
৭ই নভেম্বর/২৫ দিবসটি পালন উপলক্ষে গলাচিপা উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির আয়োজনে-শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শুক্রবার বেলা তিনটায়-জৈনপুরী খানকা মাঠ থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী সমর্থকরা-ব্যানার সহ রেলে মিছিল বের করে গলাচিপা পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। রেলি মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে নেতৃত্ব ও বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গলাচিপার দশমিনা নির্বাচনী এলাকার জনপ্রিয় নেতা তারুণ্যের অহংকার জনাব হাসান মামুন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার হাওলাদার, বিএনপি সিনিয়র নেতা যথাক্রমে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন খান,অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হিরু সহ-সভাপতি গলাচিপা উপজেলা বিএনপি, মাকসুদ আলম তালুকদার, মোহাম্মদ মশিউর রহমান শাহিন খন্দকার, আসাদুজ্জামান সবুজ প্যাদা, মিয়া মো:মাসুম বিল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গলাচিপা উপজেলা,

পৌর বিএনপি’র সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন খান,মো: জাহিদুল ইসলাম মিন্টু,যুগ্ন আহবায়ক উপজেলা যুবদল সহ যুবদল ছাত্রদল শ্রমিকদল মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ। মিছিলে আগামী সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী ১১৩(৩) আসনের মনোনয়ন স্থগিত প্রত্যাহার করে ধানের শীষ মার্কার সমর্থনে সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাসান মামুনকে ঘোষণা দেওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমানসহ স্থায়ী কমিটির কাছে জোর দাবি জানায়। রেলি ও সমাবেশে পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখে।

- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

হারিয়ে যেতে বসেছে কুড়িগ্রামে বাঁশের তৈরি চাটাই ও অন্যান্য বাঁশ পণ্য

  আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি একসময় কুড়িগ্রামের গ্রামীণ জীবনের অপরিহার্য উপকরণ ছিল বাঁশের তৈরি ধারা, চালুনি, কুলা, ডালা, মাছ...