ঢাকার সিএমএম আদালত চত্বরে সোমবার দুপুরে অস্বাভাবিক নীরবতা ভেঙে হঠাৎ করেই মানুষের দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত হয় হাজতখানার প্রধান ফটকে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর গেট খুলতেই দেখা যায়, নারী পুলিশ সদস্যদের বেষ্টনীতে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছেন এক বৃদ্ধা—ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দ্বারা কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সীমান্তে ধাক্কা দিয়ে পাঠানো সেই সখিনা বেগম।
দুর্বল দেহে ধীর পায়ে হাঁটতে থাকা সখিনা বেগমকে দেখে উপস্থিত স্বজন ও আগত মানুষজনের মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। টিভি ক্যামেরা আর ভিড়ের চাপা শব্দে তিনি কিছুটা হতচকিত হয়ে পড়লেও ক্ষীণ কণ্ঠে শুধু জানালেন—
“অসুস্থ হয়েছিলাম… এখন ঠিক আছি।”
এরপরই পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত ঘিরে আদালতের ভেতরে নিয়ে যান। সেদিন তার জামিন শুনানির নির্ধারিত দিন ছিল।
ভারত থেকে ঠেলে দেওয়া এই বৃদ্ধার ঘটনার পর থেকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সীমান্তে মানুষের উপর সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছে। একই সঙ্গে আদালতপাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।