ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানো হলেও বিশ্ববাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। বরং অনিশ্চয়তার কারণে তেলের দাম বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে ইরানের বন্দরগুলোতে আরোপিত অবরোধ আগের মতোই বহাল থাকবে, যা পরিস্থিতিকে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে দিচ্ছে না।
এই ঘোষণার পরও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফেরেনি। বরং ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারসূচকগুলোতে পতন দেখা যায়। S&P 500 সূচক ০.৬ শতাংশ কমেছে, Dow Jones Industrial Average প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট হারিয়েছে এবং প্রযুক্তিভিত্তিক Nasdaq Composite একই হারে নিম্নমুখী হয়েছে।
অন্যদিকে, তেলের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। বৈশ্বিক মানদণ্ড Brent Crude-এর দাম দিনের শুরুতে কিছুটা কম থাকলেও পরে দ্রুত বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়ায় ৯৮.৪৮ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ শতাংশের বেশি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো অস্থির। ইরানের ওপর অবরোধ, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—এই তিনটি কারণই তেলের দাম বৃদ্ধি এবং শেয়ারবাজারের পতনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে।