| Your Ads Here 100x100 |
|---|
সহকারী প্রকৌশলী থেকে শতকোটির মালিক! গণপূর্তে বদরুল আলম খানের উত্থানের রহস্য শিরোনামে গত ডিসেম্বর ২২ ‘খবরের দেশে’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাভার সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোহাম্মদ বদরুল আলম খান।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয় তার বিরুদ্ধে এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর ও একপাক্ষিক বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন সাভার গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খান।
বদরুল আলম খান জানান, তিনি ২০০৩ সালে সম্পূর্ণ বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরে যোগদান করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার, কমিশন গ্রহণ বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো আদালতস্বীকৃত রায়, দুদকের চূড়ান্ত অনুসন্ধান প্রতিবেদন কিংবা আইনগত সিদ্ধান্ত নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেদনে তাঁকে ‘দুদক চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ’ উল্লেখ করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত।
একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি আইন ও বিধির বাইরে কোনো কাজ করেননি উল্লেখ করে বদরুল আলম খান বলেন,“অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বানিয়ে দেওয়ায় দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।”
এদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে।
প্রকাশিত সংবাদটি বানোয়াট দাবি করে প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেছেন, আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্র করছে।
বদরুল আলম খান সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই এবং পেশাগত ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।

