শরীফুল রাজ ও পরীমনির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে, এরপর বিচ্ছেদ—সবকিছুই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। বিচ্ছেদের প্রায় তিন বছর পরও ভক্তদের মধ্যে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, এই সম্পর্ক ভাঙার পেছনে কি অন্য কারও প্রভাব ছিল?
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন পরীমনি। নায়িকা স্পষ্টভাবে জানান, তাদের বিচ্ছেদের পেছনে কোনো তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততা নেই। তার ভাষায়, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মূল কারণ ছিল পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব। সংসার টিকিয়ে রাখতে শুধু চেষ্টা করলেই হয় না, সেই চেষ্টার মূল্যায়ন ও সম্মানও জরুরি—যেটার ঘাটতি ছিল বলে মনে করেন তিনি।
একই সাক্ষাৎকারে পরীমনি বিনোদন অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি গুঞ্জনেরও জবাব দেন। অনেকেই মনে করেন, তার কারণেই নাকি রাজ সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন না। এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন নায়িকা। তিনি বলেন, সন্তানের প্রতি বাবার দায়িত্ববোধ যেন রাজের ভেতর থেকেই আসে, কোনো চাপ বা অনুরোধ থেকে নয়—এটাই তিনি চান।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের অক্টোবরে পারিবারিক আয়োজনে বিয়ে করেন পরীমনি ও শরীফুল রাজ। ২০২২ সালের আগস্টে জন্ম নেয় তাদের একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। সন্তানের জন্মের পরও দাম্পত্য জীবনে নানা টানাপোড়েন চলতে থাকে। একাধিকবার সম্পর্ক জোড়া লাগানোর চেষ্টা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। সবশেষে ২০২৩ সালের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
বর্তমানে বিচ্ছেদের পর দুজনই ব্যস্ত নিজেদের কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে।