| Your Ads Here 100x100 |
|---|
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
গাজার উত্তরে সোমবার রাতে ইসরায়েলি বাহিনীর ভারী বোমাবর্ষণে কেঁপে উঠেছে পুরো এলাকা। গাজার বাসিন্দারা বলছেন, এটি ছিল সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ রাত। এর মধ্যেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য।
৬০ বছর বয়সী গাজাবাসী সালাহ বলেন, “বিস্ফোরণ থামেনি, ঘরবাড়ি আর স্কুলে বোমা পড়েছে। মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে।”
ইসরায়েলি সেনারা গাজা সিটির জেইতুন অঞ্চলে ঢুকে পড়ে এবং উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় গোলাবর্ষণ করে। বিমান হামলায় অন্তত চারটি স্কুলে আঘাত হানে, যেখানে আগে আশ্রয় নেওয়া শত শত পরিবারকে সরিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবারের হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১০ জন জেইতুন এলাকায়।
এর আগেই ইসরায়েল উত্তর গাজার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামাসের বিরুদ্ধে নতুন অভিযান শুরু হবে।
এই পরিস্থিতির মাঝেই ইসরায়েলি মন্ত্রী রন ডারমার ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন গাজা যুদ্ধ, ইরান এবং আঞ্চলিক চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগের দিন যুদ্ধ বন্ধ ও বন্দিদের ফেরানোর আহ্বান জানান।
হামাস বলছে, যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েলকে গাজা ছাড়তে হবে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের শর্ত, যুদ্ধ শেষ হবে কেবল তখনই যখন হামাস নিরস্ত্র ও বিলুপ্ত হবে।
এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত গাজায় ৫৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সূত্রঃ রয়টার্স

