| Your Ads Here 100x100 |
|---|
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচিত এর অবস্থান ও তার গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ওয়াশিংটনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়, মোজতবা খামেনি বর্তমানে অত্যন্ত গোপন একটি স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি সরাসরি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে বিশ্বস্ত দূতদের একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই তার কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয় এবং তার নির্দেশনাও বাইরে আসে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই জটিল যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ধীরগতির হয়ে পড়েছে। এমনকি মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব পাওয়া ইরানি প্রতিনিধিরাও নিজেদের সরকারি কাঠামোর মধ্যে দ্রুত সমন্বয় করতে পারছেন না।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কোনো শান্তি প্রস্তাব পাঠালে ইরানের পক্ষ থেকে জবাব পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে। কারণ, প্রস্তাবটি প্রথমে বিভিন্ন দূতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ নেতার কাছে পৌঁছায় এবং পরে একই প্রক্রিয়ায় তার সিদ্ধান্ত আবার মার্কিন পক্ষের কাছে ফিরে আসে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মোজতবা খামেনি হলেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা এর ছেলে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে আলী খামেনি নিহত হন এবং পরে মোজতবা খামেনি নেতৃত্বে আসেন। তবে এই দাবিগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি এবং এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, পারমাণবিক ইস্যু এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক যোগাযোগ স্বাভাবিক না হলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

