26.8 C
Dhaka
সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

পাকিস্তানের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে গেলো ভারতীয় যুদ্ধ বিমান

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর টহল দেওয়ার সময় পাকিস্তানি বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করে ভারতের ৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান পালিয়ে গেছে বলে দাবি করেছে পাকিস্তান বিমানবাহিনী (পিডিএফ)। ২৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে বলে জানানো হয়। পিডিএফের দাবি, ভারতীয় বিমানগুলোকে দেখে তাদের কয়েকটি ইউনিট দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়, যার ফলে ভারতীয় বিমানগুলো পিছু হটতে বাধ্য হয়।

ইসলামাবাদের একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, ভারতীয় রাফাল বিমানগুলো ভারতীয় অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের আকাশসীমায় টহল দিচ্ছিল। তখন পাকিস্তান বিমানবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, যার ফলে ভারতীয় বিমানগুলো পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, এটি ছিল একটি “সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক সাড়া”, যা নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।

এ ঘটনা ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে হওয়া ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়। ওই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান, যাদের অধিকাংশই পর্যটক ছিলেন। গত দুই দশকে কাশ্মীর অঞ্চলে এটি অন্যতম রক্তক্ষয়ী হামলা ছিল। এই ঘটনার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হামলার পর ২৩ এপ্রিল ভারত একতরফাভাবে ‘ইনডাস ওয়াটার ট্রিটি’ স্থগিত ঘোষণা করে—এটি ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক পানি বণ্টন চুক্তি। পরদিন পাকিস্তান পাল্টা ঘোষণা দিয়ে জানায়, তারা ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তি স্থগিত রাখবে এবং ভারতের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দেবে।

ভারতের দাবি, পেহেলগামের হামলার সঙ্গে সীমান্ত পার হয়ে আসা সন্ত্রাসীদের যোগসূত্র থাকতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। পাকিস্তান এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে জানায়, তারা এ ঘটনায় কোনোভাবেই জড়িত নয়।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই ঘটনায় একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আত্তা তারার মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের জানান, পাকিস্তানের কাছে ‘বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য’ রয়েছে যে ভারত আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে একটি সামরিক অভিযান চালাতে পারে এবং পেহেলগামের হামলাকে সেই আক্রমণের “অজুহাত” হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

তিনি ভারতের মনোভাবকে “বিচারক, জুরি এবং কার্যনির্বাহী—তিন ভূমিকায় নিজেকে বসিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা” হিসেবে বর্ণনা করেন এবং এটি অঞ্চলীয় স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হতে পারে বলে সতর্ক করেন।

পাকিস্তান এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, “আমরাও বহুবার সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছি, তাই এর ব্যথা ও পরিণাম আমরা ভালোভাবে জানি।” ইসলামাবাদ ইতোমধ্যে আঞ্চলিক শান্তি ও কূটনৈতিক সংযম বজায় রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি নিয়ে এবার নেপথ্যের তৎপরতা তুঙ্গে। লটারির মাধ্যমে বদলি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় পছন্দের কর্মস্থল ধরে...