| Your Ads Here 100x100 |
|---|
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ফিলিস্তিনে যে ধরনের সহিংসতা ইসরায়েল চালাচ্ছে, এখন সেটা ইরানেও শুরু হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো সিয়োনিজম, অর্থাৎ ইসরায়েলের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার মতবাদ। আর এই মতবাদের সবচেয়ে বড় সহায়তাকারী হলো যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি ইসরায়েলের হামলায় ইরানের তেহরান শহরের বাসাবাড়ি, হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষ, শিশুরা, এমনকি ক্যান্সার রোগীরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। এই হামলায় অনেক পরিবার তাদের প্রিয়জন হারিয়েছেন।
একজন ইরানি-আমেরিকান গবেষক রমিন জাভাদিয়ান লিখেছেন, “আমার খালার অপারেশন বাতিল হয়েছে বোমা পড়ার কারণে। আমার এক শিক্ষক তার ভাই ও ছোট মেয়েকে হারিয়েছেন।”
এই ঘটনাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখায়, ইসরায়েল কেবল ফিলিস্তিনেই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যে হামলা চালাতে চায়—যেখানে যুক্তরাষ্ট্র সবসময় পাশে থাকে।
ইসরায়েল যদি গাজায় হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করতে পারে, তাহলে ইরানের মানুষকেও নিশানা করতে পারে। তারা যেভাবে গাজার শিশুকে পিতামাতা থেকে আলাদা করেছে, তেমনভাবে ইরানেও শিশুরা বাবা-মাকে হারাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সহিংসতা বন্ধ করতে হলে বিশ্বকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন, অস্ত্র বিক্রি বন্ধ, কূটনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে আনা এবং সিয়োনিজমকে প্রত্যাখ্যান করা।
রমিন জাভাদিয়ান বলেন, “ফিলিস্তিনের মুক্তিই কেবল নয়, এই অঞ্চলের সকল মানুষের জন্য শান্তি আনতে হবে। ইরান, লেবানন, সিরিয়া—সব দেশ একত্রে সিয়োনিজমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালে তবেই পরিবর্তন সম্ভব।”

