26.5 C
Dhaka
সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

ট্রাম্পের ভাষণে শান্তি থেকে যুদ্ধের মনোভাবের ইঙ্গিত

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আমেরিকাকে আর যুদ্ধে জড়াবেন না। উদ্বোধনী ভাষণে বলেছিলেন, তিনি ঐক্যের উত্তরাধিকার রেখে যেতে চান। মাত্র আট মাসের মাথায় তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রচারণাও শুরু করেছিলেন।
আন্তর্জাতিক নীতি সংস্থার কর্মকর্তা ম্যাট ডাস এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন, ‘ট্রাম্প নিজেকে যুদ্ধবিরোধী প্রার্থী বলে দাবি করেছিলেন, কিন্তু বাস্তবে বিপরীত কাজ করছেন। এটি কেবল বাহাদুরি দেখানো, আসল শান্তি আনার উদ্যোগ নয়।‘
ট্রাম্প বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নামকরণ হলেও যুক্তরাষ্ট্র কখনো ‘জিততে’ পারেনি। তাই ‘যুদ্ধ’ শব্দই নাকি আমেরিকার সামরিক সক্ষমতার প্রতিফলন। রিপাবলিকান সিনেটর মার্কওয়েন মুলিন ট্রাম্পের এই অবস্থানকে সমর্থন করে বলেছেন, এটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তার প্রতীক।
কিন্তু সাবেক কূটনীতিক কর্নেল ল্যারি উইলকারসন মনে করেন, এটি প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে রূপান্তরের ইঙ্গিত। বিশেষত সাম্প্রতিক ভেনিজুয়েলার নৌকায় প্রাণঘাতী হামলার মতো ঘটনায় এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
এই পরিবর্তনের খরচও সমালোচনার মুখে। কোইন্সি ইনস্টিটিউটের গবেষক উইলিয়াম হার্টাং বলেছেন, নাম বদলাতে কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ হবে— যা আসলে একটি পিআর কার্যক্রম মাত্র। পেন্টাগনের বিশাল বাজেটের তুলনায় এটি সামান্য হলেও এই অর্থ অন্যত্র ব্যবহার করা যেত।
ট্রাম্প অবশ্য এটিকে ‘গুরুত্বহীন ব্যয়’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, মূলত লেটারহেড, স্টেশনারি বদলানো ছাড়া আর বড় কোনো খরচ হবে না।
নাম পরিবর্তনের সময়টিও লক্ষণীয়। চীন, রাশিয়া, ভারত ও উত্তর কোরিয়ার নেতারা যখন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া একত্রিত হচ্ছেন, তখন নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। সমালোচকদের মতে, এটি আসলে দুর্বলতাকে ঢাকার প্রয়াস।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি নিয়ে এবার নেপথ্যের তৎপরতা তুঙ্গে। লটারির মাধ্যমে বদলি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় পছন্দের কর্মস্থল ধরে...