21 C
Dhaka
সোমবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৫

৫০৯ রানের লক্ষ্য দিয়ে ইনিংস ঘোষণা

জনপ্রিয়
ঢাকা টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের শতকে ভর করে ৪৭৬ রানে থামে স্বাগতিকরা। জবাবে আয়ারল্যান্ড ২৬৫ রানে গুটিয়ে গেলে ২১১ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে চার ফিফটি, সাদমান–মুমিনুলের সেঞ্চুরি হাতছাড়া
ফলোঅন না করানোর সিদ্ধন্ত নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নির্ভার ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। ওপেনার জয়–সাদমানের ১১৯ রানের জুটিতে চমৎকার শুরু পায় দল।
  • জয় ৬০
  • সাদমান ৭৮ (সেঞ্চুরির আক্ষেপ)
তৃতীয় উইকেটে মুমিনুলের (৮৭) সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়া বড় আফসোস হয়ে থাকে। মুশফিক অপরাজিত ৫৩ রানে থাকতেই ২৯৭/৪-এ ইনিংস ঘোষণা করেন শান্ত। ফলে আইরিশদের সামনে দাঁড়ায় ৫০৯ রানের কঠিন লক্ষ্য।
আইরিশ প্রতিরোধ: টাকার–দোহানি–নেইলের লড়াই
বাংলাদেশের বিশাল রানের চাপায় দ্বিতীয় দিন ৯৮/৫-এ ধরা পড়ে আয়ারল্যান্ড। এরপর টাকারকে ঘিরে দুটি বড় জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ আসে।
  • টাকার ৭৫*
  • দোহানি ৪৬ (জুটি ৮১)
  • জর্ডান নেইল ৪৯ (জুটি ৭৪)
এ ছাড়া ওপেনিংয়ে ৪১ রানের জুটি পায় সফরকারীরা। স্টার্লিং ২৬, বালবির্নি ২১, কারমাইকেল ১৭, টেক্টর ১৪ রান করেন।
তাইজুলের ঘূর্ণিতে আয়ারল্যান্ড অলআউট
প্রথম ইনিংসে বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৪ উইকেট শিকার করেন।
  • খালেদ মাহমুদ ও হাসান মুরাদের ২টি করে
  • এবাদত ও মিরাজের ১টি করে উইকেট
মুশফিক–লিটনের সেঞ্চুরি, ব্যাটে সেরা সময়
মুশফিকুর রহিম ১০৬ রানে থেমে তার ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ২১৩ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার আসে তার ব্যাটে।
লিটন দাস ১২৮ রান করে দ্রুত রান তোলেন—৮ চার ও ৪ ছয়ের ইনিংসে তিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে পাঁচ সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন এবং তিন হাজার রানও ছাড়ান।
মুমিনুলের ৬৩ রানে মুশফিকের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়। পরে লিটনের সঙ্গে ৯০ রানের জুটিতে নিয়ন্ত্রণ শক্ত করে বাংলাদেশ।
ম্যাকব্রিনির ঘূর্ণি একটু স্বস্তি দেয় আইরিশদের
প্রথম দিনে ছয় বোলার ঘুরিয়েও ব্রেকথ্রু এনে দেন মূলত স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি—তিনি প্রথম চারটি উইকেটসহ ইনিংসের শেষ দুই উইকেট নেন। দ্বিতীয় দিনে হামফ্রিজ ও হোয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

হারিয়ে যেতে বসেছে কুড়িগ্রামে বাঁশের তৈরি চাটাই ও অন্যান্য বাঁশ পণ্য

  আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি একসময় কুড়িগ্রামের গ্রামীণ জীবনের অপরিহার্য উপকরণ ছিল বাঁশের তৈরি ধারা, চালুনি, কুলা, ডালা, মাছ...