তারেক রহমান বলেছেন, দেশে ক্রীড়াকে একটি সম্মানজনক ও টেকসই পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। খেলাধুলায় সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের জন্য বেতন কাঠামো ও বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বুধবার (২০ মে) সকালে গাজীপুরের সফিপুরে আয়োজিত বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী-এর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, সরকারের চালু করা স্পোর্টস কার্ড সুবিধার আওতায় ইতোমধ্যে আনসার ও ভিডিপির ১৫ জন ক্রীড়াবিদ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে দেশের ১০টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩৭৯ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী শুধু আইনশৃঙ্খলা নয়, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম বাংলাদেশ গেমসে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাহিনীটি ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক অর্জন করে।
বাহিনীর সাংগঠনিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আনসার ব্যাটালিয়ন বিধিমালা ২০২৬, ভিডিপি বিধিমালা ২০২৬, অঙ্গীভূত আনসার বিধিমালা ২০২৬ এবং সদস্য নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত নতুন বিধিমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে বাহিনীর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে উপজেলা আনসার বিধিমালা ২০২৬ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বাহিনীর সদর দপ্তরে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।