পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে ৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সোমবার (৮ জুন) জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজিবির উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত থেকে কাউকে বাংলাদেশে পুশইন করা সম্ভব হয়নি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত দিয়ে লোকজনকে জোরপূর্বক ঠেলে পাঠানোর কিছু চেষ্টা হয়েছে, তবে বিজিবি সেগুলো প্রতিহত করেছে। তিনি আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমে যে পুশইনের খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
বিজিবির অবস্থান
কর্নেল মাহমুদ জানান, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো ধরনের পুশইন গ্রহণ করা হবে না। সীমান্ত এলাকায় দিন-রাত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত নিরাপত্তায় সহযোগিতা করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবি
মে মাসের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও বহিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে দাবি করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি কলকাতায় বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর আওতায় না আসা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে।