| Your Ads Here 100x100 |
|---|
পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে আমলে নিয়ে আদালত পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার হিসেবে মামলা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় যুব জামায়াতের সভাপতি।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি তার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ওই সময় থেকেই অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব ও পরে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৪ মার্চ বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীকে শহরের শেরে বাংলা সড়কে অভিযুক্তের বোনের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে একটি কক্ষে আটকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগও করা হয়েছে। মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, এসব ঘটনার ফলে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে শহরে এনে অভিযুক্তের বোনের বাসায় একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। আদালত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবেন। আদালতের রায়ে অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, এখনো আদালতের আদেশ ও মামলার কপি থানায় পৌঁছায়নি। কপি হাতে পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, মামলায় আনা অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

