28 C
Dhaka
মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

ট্রাম্প-মাস্ক বিরোধে মহাকাশ মিশনে ধাক্কা, চিন্তায় নাসা

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের দ্বন্দ্ব গিয়ে পড়েছে মহাকাশ গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে। আর এর বড় শিকার হতে যাচ্ছে নাসা ও এর ভবিষ্যৎ কর্মসূচিগুলো।

বর্তমানে নাসার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বেসরকারি অংশীদার মাস্কের স্পেসএক্স। এই কোম্পানির ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমেই মানুষ ও মালপত্র মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি অনুযায়ী, এসব সরকারি চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

এদিকে, হোয়াইট হাউজ কংগ্রেসে নাসার বাজেট কমানোর একটি প্রস্তাবও জমা দিয়েছে। এতে বিজ্ঞান গবেষণার জন্য বরাদ্দ অর্ধেকে কমিয়ে দেওয়া হতে পারে, যার ফলে ৪০টির বেশি গবেষণা মিশন অনিশ্চয়তায় পড়বে। জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ, গ্রহ অনুসন্ধান ও আন্তর্জাতিক প্রকল্পগুলো এই প্রস্তাবের আওতায়।

বিশ্লেষকদের মতে, এ দ্বন্দ্বের ফলে দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ কর্মসূচিগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ওপেন ইউনিভার্সিটির মহাকাশ বিজ্ঞানী ড. সিমিয়ন বারবার বলেন, “ট্রাম্প ও মাস্কের দ্বন্দ্ব আমাদের মহাকাশ স্বপ্নকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে।”

নাসা বলছে, চাঁদ ও মঙ্গলে মানব মিশনের বাজেট ঠিক রাখা হয়েছে। এমনকি মঙ্গল মিশনের জন্য বাড়তি ১০ কোটি ডলার বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

তবে সমালোচকরা বলছেন, নাসা এখন ব্যয়বহুল ও অগোছাল। এসএলএস রকেটের প্রতি উৎক্ষেপণে খরচ হয় প্রায় ৪১০ কোটি ডলার, যেখানে মাস্কের স্টারশিপে সেই খরচ মাত্র ১০ কোটি।

অন্যদিকে, ব্লু অরিজিন ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে যৌথ মিশনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সব মিলিয়ে, ট্রাম্প-মাস্ক দ্বন্দ্বে কাঁপছে নাসা—আর অনিশ্চয়তায় ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযান।

- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

জনবান্ধব রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এনবিআরকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীতে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) আরও দক্ষ, কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কর্মকর্তাদের প্রতি...