26.5 C
Dhaka
সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬

মনে হচ্ছে, আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের গভীর অন্ধকারে হারিয়েছি : ট্রাম্প

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100
খবরের দেশ ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে মন্তব্য করেন, “ভারত ও রাশিয়াকে আমরা চীনের গভীর অন্ধকারে হারিয়েছি।” তিন নেতা—শি জিনপিং, নরেন্দ্র মোদি ও ভ্লাদিমির পুতিন—এর ছবি সংযুক্ত করে তিনি আরও লিখেন, “তাদের দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করি।” বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের সঙ্গে নয়াদিল্লি ও মস্কোর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে এটি ট্রাম্পের পরোক্ষ স্বীকারোক্তি।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে লেখেন, ‘মনে হচ্ছে, আমরা ভারত ও রাশিয়াকে চীনের গভীর অন্ধকারে হারিয়েছি। তাদের একসঙ্গে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করি!’
এই তিন দেশের নেতা জ্বালানি থেকে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই দেশগুলো বিভিন্ন মাত্রায় ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতানৈক্য পোষণ করে।
ওয়াশিংটন কয়েক দশক ধরে ভারতকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে আসছে। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করতে চেয়েছিলেন। তিনি ২০১৯ সালের ‘হাউডি মোদি’ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে অংশ নেন। জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ‘কোয়াড’ পুনরুজ্জীবিত করেন। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে শীতলতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্ক নীতি এবং রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি আমদানির সমালোচনা ওয়াশিংটনের প্রভাবকে দুর্বল করেছে।
তিয়ানজিনে এসসিও সম্মেলনটি ছিল গত সাত বছরে প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রথম চীন সফর। বিশেষ করে ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। শি এবং পুতিন উভয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মোদি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ভারত কোনো একক ব্লকের সঙ্গে জোটবদ্ধ না হয়ে কৌশলগত অবস্থান বজায় রাখতে আগ্রহী।
ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প ভারতের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক রাশিয়ার তেল আমদানির জন্য অতিরিক্ত হিসেবে যোগ করা হয়েছে। এই শুল্কগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর আরোপিত কঠোর শুল্কগুলোর মধ্যে একটি।
ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য থেকে অসমভাবে লাভবান হচ্ছে। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে খুব কমই ব্যবসা করি। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যবসা করে। এটি একতরফা। এ ছাড়া ভারত তার বেশির ভাগ তেল ও সামরিক পণ্য রাশিয়া থেকে কেনে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে খুব কম।’
জ্বালানি বাণিজ্য বর্তমানে সংঘাতের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প ভারতকে সস্তায় রাশিয়ান অপরিশোধিত তেল কিনে মস্কোর যুদ্ধে অর্থায়ন করার অভিযোগ করেছেন। তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এর প্রতিবাদ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চীন বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড প্রয়োগ করেনি। কারণ উভয়ই রাশিয়ার জ্বালানির বড় আমদানিকারক।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি নিয়ে এবার নেপথ্যের তৎপরতা তুঙ্গে। লটারির মাধ্যমে বদলি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় পছন্দের কর্মস্থল ধরে...