নেপালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে সোমবার সংঘটিত বিক্ষোভে অন্তত ১৩–১৬ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি কাঠমান্ডু উপত্যকায় ঘটে, যেখানে তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভকারীরা, যাদের “জেন জি” বলা হয়, সরকারের ২৬টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে রাস্তা অবরোধ ও সংসদ কমপ্লেক্সে হামলা চালায়।
পুলিশ বলপ্রয়োগ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, এতে আহত হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের লোকজন। আহতদের মধ্যে অনেককে রাবার বুলেটে আঘাত লেগেছে এবং হাসপাতালগুলো রোগী ধারণে সমস্যায় পড়েছে। নিহতদের বণ্টন হাসপাতালে এইভাবে: ট্রমা সেন্টার ৬ জন, সিভিল হসপিটাল ৩ জন, এভারেস্ট হসপিটাল ৩ জন, কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ ১ জন, ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হসপিটাল ১ জন।
কারফিউ জারি করে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সংসদ ভবনে বিক্ষোভের কারণে জাতীয় পরিষদের আজকের অধিবেশন স্থগিত করা হয়েছে। প্রশাসন জানাচ্ছে, মৃত ও আহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি।
নেপাল সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, “সরকার কিছু করবে।”
সংক্ষেপে, নেপালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভে ভীষণ সহিংসতা ঘটেছে, যার ফলস্বরূপ প্রাণহানি ও ব্যাপক আহতের ঘটনা ঘটেছে।