কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র্যাব-১১ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চারজন সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে র্যাব। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এই পাঁচজনই আগে রেলওয়ে ডাকাতি মামলার আসামি ছিল।
র্যাব সূত্র জানায়, নিহত বুলেট বৈরাগী বাস থেকে নেমে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। ওই অটোরিকশায় আগে থেকেই ছিনতাইকারীরা অবস্থান করছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তারা পরিকল্পিতভাবে তাকে টার্গেট করে এবং ছিনতাইয়ের সময় তাকে হত্যা করে।
এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি হাড়াতলী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা বলে সন্দেহ করা হলেও, পরে তদন্তে হত্যার আলামত পাওয়া যায়।
র্যাব-১১-এর সিপিসি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, এটি শুরুতে একটি “ক্লু-লেস” হত্যা মামলা ছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তির সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্তে জানা গেছে, নিহতের মোবাইল ফোন ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সচল ছিল এবং রাত আড়াইটার আগ পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ হন।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে কুমিল্লায় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়, যেখানে পারিবারিকভাবে দাফন সম্পন্ন হয়।