32.8 C
Dhaka
বুধবার, মে ১৩, ২০২৬

চট্টগ্রামে বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশু, বাড়ছে জটিলতাও

জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে দিন দিন বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত সোমবার এক দিনেই রেকর্ড ৫৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৯ জন শিশু। বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৪৯ জন।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ শিশুকে পিআইসিইউ ও এইচডিইউতে স্থানান্তর করতে হচ্ছে। বাড়তি রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম থেকে প্রাথমিকভাবে সুস্থ হওয়ার পরও অনেক শিশু আবার অসুস্থ হয়ে পড়ছে। হাসপাতাল থেকে দ্রুত ছাড়পত্র নেওয়া, পর্যাপ্ত যত্নের অভাব এবং সঠিক চিকিৎসা না হওয়ায় নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতার মতো জটিলতা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য, হাম থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার পর শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক হতে এক থেকে দেড় মাস সময় লাগে। এই সময়ে নতুন করে অসুস্থ হলে মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যায়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা বলেন, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছেই। অনেক শিশু চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পর আবারও অসুস্থ হচ্ছে। বিশেষ করে ১০ মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ঝুঁকি বেশি, কারণ তাদের অনেকেই এখনো টিকার একটি ডোজও পায়নি।
অন্যদিকে মা ও শিশু হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফাহিম হাসান রেজা জানান, হাম শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। ফলে ছোটখাটো ভাইরাসেও আক্রান্ত শিশুরা সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ডা. জাহাঙ্গীর আলম অভিভাবকদের বাড়তি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাড়ি ফেরার পর শিশুদের পর্যাপ্ত ভিটামিন ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে এবং অন্তত দেড় মাস চিকিৎসকের পরামর্শ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অবহেলা করলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় গোলাপি মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের পশুর হাটে এবার সবার নজর কাড়ছে বিরল চেহারার একটি গোলাপি মহিষ। প্রায় ৭০০ কেজি...