27 C
Dhaka
বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬

২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ বিতর্ক: মুখ খুললেন হাসনাত আবদুল্লাহ

জনপ্রিয়

কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে এনসিপির দুই শীর্ষ নেতা ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন—এমন অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ
রোববার (৩১ মে) গভীর রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) বরাদ্দের মধ্যে পার্থক্য না বুঝেই বক্তব্য দিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচিত অর্থ কোনো ব্যক্তি বা নেতার হাতে যায়নি; বরং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। কিন্তু এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন আমরা ব্যক্তিগতভাবে টাকা নিয়ে গেছি। বাস্তবে এসব অর্থ দেবিদ্বারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”
৪৩ মিনিটের লাইভে তিনি ১০ কোটি টাকার অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তার দাবি, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তিনি নির্বাচিত হওয়ার আগেই দেবিদ্বার উপজেলায় এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ ও রাজস্ব খাত মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছিল।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, এসব অর্থ ১৪৮টি পৃথক প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পগুলোর তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “এক টাকা কম বা বেশি নয়, সব হিসাব অনলাইনে আছে। যে কেউ যাচাই করতে পারবেন।”
হাসনাত আরও অভিযোগ করেন, গত কয়েকদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে এমন একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে যেন আমরা অর্থ আত্মসাৎ করেছি। অথচ সব তথ্য প্রকাশ্য এবং সহজেই যাচাইযোগ্য।”
এনসিপি নেতা বলেন, তার ফেসবুক পেজ ‘জবাবদিহিতা’-তে নিয়মিতভাবে এলাকার বিভিন্ন বরাদ্দ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তথ্য প্রকাশ করা হয়। তিনি দাবি করেন, জনগণের কাছে কোনো তথ্য গোপন করা হয়নি।
সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যে দাবি করা হয়, এনসিপির দুই শীর্ষ নেতার সঙ্গে সংশ্লিষ্টভাবে ২৫ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেই বক্তব্য প্রকাশের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরই প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান তুলে ধরতে ফেসবুক লাইভে আসেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

ফেসবুক পোস্টের পরই বদলি আদেশে বড় মোড়! ঢাকায় গণপূর্তের দুই নেতা

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের বদলিতে লটারি পদ্ধতি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আলোচনা। কিছুদিন আগে বেশ আয়োজন করে লটারির মাধ্যমে...