বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারাইস। ম্যাচের ১৪ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় সেলেসাওরা। এরপরই প্রশ্ন ওঠে—দলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকা সত্ত্বেও কেন গিমারাইসকে পেনাল্টি নিতে দেওয়া হলো?
ম্যাচ শেষে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগে পেনাল্টি নেওয়ার জন্য একটি নির্ধারিত তালিকা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় সবার ওপরে ছিলেন রাফিনিয়া। তাঁর পরেই ছিলেন নেইমার, এরপর ইগর থিয়াগো, ব্রুনো গিমারাইস এবং গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি।
কোচিং স্টাফ জানায়, ওই মুহূর্তে মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়দের মধ্যে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী গিমারাইসই ছিলেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পেনাল্টি টেকার। সে কারণেই তাঁকেই স্পটকিক নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি টেকারদের অগ্রাধিকার তালিকায় ছিলেন না।
পেনাল্টি মিসের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গিমারাইসকে ঘিরে সমালোচনা শুরু হলেও কোচিং স্টাফ স্পষ্ট করেছে, সিদ্ধান্তটি ছিল পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার অংশ এবং তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়।