| Your Ads Here 100x100 |
|---|
রাজশাহী প্রতিনিধি:
এক সময় আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের খোঁজখবর নেওয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল চিঠি। “কেমন আছেন? কী খবর?”—এই কথাগুলো লেখা হতো যত্ন করে, আবেগ মিশিয়ে। কিন্তু এখন আর সেই দিন নেই। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় চিঠি যেন হারিয়ে গেছে সময়ের অতলে।
মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতা, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবকিছুই যোগাযোগকে মুহূর্তের মাঝে এনে ফেলেছে। এখন ফোন করলেই জানা যায় কার কেমন আছেন, কী করছেন। তাই আর কষ্ট করে চিঠি লেখার প্রয়োজন পড়ে না। অথচ একটা চিঠির মধ্যে লুকিয়ে থাকত হাসি-কান্না, আবেগ-ভালোবাসা, সুখ-দুঃখের অজস্র রঙ।
আজকের শিশুরা জানেই না চিঠি কী, কীভাবে লিখতে হয় চিঠি, কোথায় কিনতে হয় খাম, কিংবা কোথায় ফেলতে হয় সেই চিঠি। চিঠির খামের মুখে আঠা লাগানো, ঠিকানার জায়গায় নাম লেখার মতো বিষয়গুলো তাদের কাছে গল্পের মতো শোনায়।
এক সময় দরজায় কড়া নাড়ত ডাকপিয়ন। বলত, “আপনার চিঠি আছে।” এখন সেই ডাকপিয়নও আর আসে না। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা চিঠির বাক্সগুলো মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। তালা নেই, রং উঠে গেছে, যত্ন নেওয়ার কেউ নেই। কারণ কেউ আর চিঠি লেখে না।
চিঠির জায়গা নিয়েছে প্রযুক্তি, কিন্তু চিঠির যে আবেগ—সেই অনুভূতি আর কোথাও নেই। লেখকের মতো অনেকেই হয়তো মনে মনে বলেন—
“অনেকদিন হলো চিঠি আর লিখি না…”

