ওসমান গণি নামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায়। বুধবার (২০ মে) মধ্যরাতে উপজেলার পাঁচগাঁও কবরস্থান এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওসমান গণি ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বড় বিনাইরচর এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার পর স্বেচ্ছাসেবক লীগ-এর দুপ্তারা ইউনিয়নের সদস্য সচিব রমজান মিয়া-সহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে মাটি তোলার একটি ভেকু ডেবে গেলে ওসমান গণি ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র দল তাকে ঘিরে ফেলে।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা প্রথমে সবাইকে হাত উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে বলে এবং পরে ওসমান গণির মাথা, গলা ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইসমাইল মিয়া দাবি করেন, মাটি তোলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার সঙ্গে ওসমান গণির বিরোধ ছিল। তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে বড় বিনাইরচর এলাকায় বিক্ষোভ করেন স্থানীয়রা। এ সময় ভুলতা-বিশনন্দী আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয় এবং কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। ফলে সকাল থেকে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।