26.6 C
Dhaka
মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬

হালান্ডের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের রহস্য কি মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমানো?

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100

মাঠে নামলেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার এরলিং হালান্ড। গোল করার অসাধারণ দক্ষতা, শক্তি ও ফিটনেসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই ফুটবলারের একটি ব্যতিক্রমী ঘুমের অভ্যাস সম্প্রতি আবারও আলোচনায় এসেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হালান্ড ঘুমানোর সময় বিশেষ ধরনের মাউথ টেপ ব্যবহার করেন। এক পডকাস্টে তিনি জানান, ঘুমের সময় মুখ নয়, নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া নিশ্চিত করতেই তিনি এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন।
বিশেষজ্ঞদের ভাষায় এ পদ্ধতিকে বলা হয় মাউথ টেপিং। এর উদ্দেশ্য হলো ঘুমের সময় মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে শরীরকে উৎসাহিত করা। হালান্ডের বিশ্বাস, মানসম্মত ও গভীর ঘুমই একজন ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্সের অন্যতম ভিত্তি, আর নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া সেই ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।
স্পোর্টস সায়েন্সের কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নাক দিয়ে শ্বাস নিলে বাতাস প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধিত, উষ্ণ ও আর্দ্র হয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে। এতে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ঘুমের মান উন্নত হতে পারে এবং মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মাউথ টেপিংয়ের উপকারিতা নিয়ে এখনো পর্যাপ্ত শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই এবং এটি সবার জন্য উপযোগী নয়।
বিশেষ করে যাদের নাক বন্ধ থাকে, শ্বাসকষ্ট, স্লিপ অ্যাপনিয়া বা অন্য কোনো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত নয়।
ঘুমের মান ভালো রাখতে হালান্ড আরও কিছু নিয়ম মেনে চলেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি ব্লু-লাইট প্রতিরোধী চশমা ব্যবহার করেন, যাতে মোবাইল, টেলিভিশন বা কম্পিউটারের আলো ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটায়। পাশাপাশি তিনি শোবার ঘরকে যতটা সম্ভব অন্ধকার, ঠান্ডা ও শান্ত রাখেন এবং অপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার এড়িয়ে চলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি বজায় রাখা, পর্যাপ্ত সময় ঘুমানো, অন্ধকার ও নিরিবিলি পরিবেশে বিশ্রাম নেওয়া এবং ঘুমানোর আগে স্ক্রিনের ব্যবহার কমানো—এসব অভ্যাসের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিকভাবে অনেক বেশি প্রতিষ্ঠিত। অন্যদিকে, মাউথ টেপিংয়ের মতো নতুন স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত অভ্যাস গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

শ্রীলঙ্কার কারাগারে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৫

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে কয়েদিদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন কারারক্ষীও রয়েছেন। এ ঘটনায়...