30.7 C
Dhaka
রবিবার, মে ৩, ২০২৬

কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে  ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে

জনপ্রিয়
- Advertisement -
Your Ads Here
100x100


শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর, গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার পূর্ব চান্দ্রা মাটিকাটা রেললাইন বটতলা এলাকায় রেলওয়ের জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, রেললাইনের পাশের সরকারি জমিতে নতুন করে টিনশেড রুম নির্মাণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে ওই এলাকার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল। তবে ৫ আগস্টের পর আবারও একটি প্রভাবশালী চক্র রেলওয়ের জমি দখল করে নতুন করে ঘর নির্মাণ শুরু করে।
শনিবার (২ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেললাইনের এক পাশজুড়ে প্রায় ২০০টি রুম নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ফরহাদ ফকির ৮টি, আক্কাস ১২টি, খলিল ভান্ডারী ৯টি, সাইফুল ৯টি, চিত্তরঞ্জন ৪টি ও আবু বক্কর ২টিসহ একাধিক ব্যক্তির নামে ঘর নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।
 এছাড়া রেফাজ ডাক্তার নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নেতৃত্বে অন্তত ২০টি রুমের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মোট ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে এসব ঘর নির্মাণ ও দখল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত।
সরেজমিনে গিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, রেললাইন কর্তৃপক্ষকে “ম্যানেজ” করেই এসব টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় প্রকাশ্যেই সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী চক্রটি।
অভিযোগের বিষয়ে খলিল ভান্ডারী বলেন, “আমি জিয়া নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে জায়গাটি কিনে নিয়েছি।”
ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘরের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং কিছু ঘরে লোকজন বসবাসও শুরু করেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রেলওয়ের জায়গা দখল করে এভাবে ঘর নির্মাণের ফলে সরকারি সম্পত্তি বেদখল হওয়ার পাশাপাশি রেললাইনের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে রেলওয়ে উপসহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অতি দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম. ফখরুল হোসাইন বলেন,“রেলওয়ের সরকারি জমি দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
- Advertisement -spot_img
সর্বশেষ

কুড়িগ্রামে টানা ঝড়-বৃষ্টিতে দিশেহারা কৃষক

আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:- টানা কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে কুড়িগ্রামে যেন এক নীরব কৃষি বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে। মাঠের পর মাঠ...