পবিত্র হজ পালন আজ সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিস্থিতির আবহেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা সৌদি আরবে জড়ো হয়েছেন।
হজের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম দিনে মক্কায় উপস্থিত বহু হজযাত্রীরা তাঁবুর নগরী হিসেবে পরিচিত মিনায় সমবেত হন। এর আগে, তীব্র দাবদাহের মধ্যে তারা মসজিদুল হারামে অবস্থিত পবিত্র কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করেন।
আগামী মঙ্গলবার হজযাত্রীরা আরাফাতের ময়দানে গিয়ে সমবেত হবেন। সেখানে তাঁরা নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও বিশেষ মোনাজাত করবেন।
এদিকে গরমের কারণে ধর্মীয় বিভিন্ন আচার সম্পন্ন করার সময় অনেক হজযাত্রী ছায়ার জন্য ছাতা ব্যবহার করছেন। কেউ কেউ সঙ্গে পোর্টেবল বা হাত-পাখা রাখছেন। শরীর সতেজ ও হাইড্রেটেড রাখতে স্বেচ্ছাসেবীরা পানির বোতল বিতরণ করছেন এবং বড় ফ্যান বা পাখার সাহায্যে চারদিকে হালকা পানির কুয়াশা ছিটানো হচ্ছে।
গরমের পাশাপাশি এবার সৌদি আরবসহ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে এক ভিন্ন আবহ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের অবসানে একটি প্রাথমিক চুক্তির কথা বলা হলেও কিছু বিষয়ে মতবিরোধের কারণে তা সম্পন্ন হতে দেরি হওয়ার শঙ্কা করা হচ্ছে।
এছাড়া, জ্বালানি সংকটের বিষয়টি মাথায় রেখেও বিভিন্ন দেশ হজযাত্রীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ হজ মৌসুম শুরুর আগে থেকেই সার্বিক বিষয়ে জরুরি বা বিকল্প পরিকল্পনা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে। একইসঙ্গে দেশটির হজযাত্রীদের ওপর যাতে অতিরিক্ত খরচ চাপানো না হয় তা নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা জারি করে।