লর্ডসে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পরও শক্তিশালী বোলিং এবং লড়াকু মানসিকতায় ভর করেকে ১১৫ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে স্বাগতিকরা।
ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য ২৫৪ রানের লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে তারা চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ১৩৮ রানেই অলআউট হয়ে যায়। ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
লর্ডসের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে এটি ছিল দ্বিতীয় সংক্ষিপ্ততম টেস্ট ম্যাচ। পুরো ম্যাচে খেলা হয়েছে মাত্র ১৬৬ ওভার, যেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ পাঁচ দিনের টেস্টে সাধারণত প্রায় ৪৫০ ওভার খেলার সুযোগ থাকে।
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে গেলেও নিউজিল্যান্ডও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ১১৩ রানের বেশি করতে পারেনি। ফলে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় ইংল্যান্ড। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৬ রান সংগ্রহ করে কিউইদের সামনে ২৫৪ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় তারা।
জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগেই তাদের ৫ উইকেট হারিয়ে যায়। চতুর্থ দিনে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। কনওয়ে ৪১ রান করে আউট হন, আর ফিলিপস ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তবে তাদের এই লড়াই দলকে পরাজয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন । তিনি ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন অলি রবিনসন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক অ্যাশেজ সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর এই জয় ইংল্যান্ডের জন্য বড় স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাসের উৎস হয়ে এসেছে। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ১৭ জুন ওভালে এবং তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ২৫ জুন ট্রেন্ট ব্রিজে অনুষ্ঠিত হবে।