ঢাকার তুরাগ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীকে হত্যার অভিযোগ তুলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন।
শনিবার (২৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, তুরাগ নদী থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও চার নেতাকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বিবৃতিতে রিপন অভিযোগ করেন, গত ২২ জুন তুরাগ থানা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত একটি মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন নেতাকর্মীকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় এবং পরে তাদের মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। একই সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও হামলার অভিযোগ তোলেন তিনি।
মাহমুদ হাসান রিপনের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কারাগারের ভেতরেও দলটির নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হত্যা, গুম বা নির্যাতনের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। দলের নেতাকর্মীরা তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আদর্শ নিয়ে ভবিষ্যতেও সক্রিয় থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সবশেষে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।